বুধবার, ২২ মার্চ, ২০১৭

শততম টেস্টে বাংলাদেশের জয় এবং শ্রীলঙ্কার শোকের মাতম


গত ১৯ মার্চ বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শততম টেস্টে জয়লাভ করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই এটি বাংলাদেশের জন্য বড় আনন্দের উপলক্ষ্য। বিশেষ করে গল টেস্টে পরাজিত হবার পরের টেস্টেই শ্রীলঙ্কার মত দলকে টেস্টে পরাজিত করা বিশেষ কিছুই। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা প্রথম বারের মত বাংলাদেশের কাছে নিজেদের মাটিতে টেস্টে পরাজিত হয়েছে। এটা তাদের জন্য কষ্টের অবশ্যই। কিন্তু তারা যেভাবে শোক পালন করছে তা রীতিমত দৃষ্টিকটু।

কলোম্বো টেস্ট চলাকালীন সময়ই শ্রীলঙ্কান ব্যাটসমান করুনারত্নে বলেছিলেন, কলোম্বো টেস্ট যদি তারা হেরে যায় সেটা হবে তাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। আমি ঠিক জানিনা তিনি ঠিক কিসের ভিত্তিতে কথাটি বলেছিলেন! এটা ঠিক যে একটা সময় বাংলাদেশকে বলে কয়ে হারাতো শ্রীলঙ্কা। এটাও সত্য কথা জয়সুরিয়া, মারভান আতাপাত্তুদের সময় একবার নয়জন নিয়মিত খেলোয়ারকে বসিয়ে রেখেও তারা বাংলাদেশকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেছিলো। কিন্তুু তাদেরকে তো এটাও মাথায় রাখা উচিত এটা ২০০৬ সাল নয়, এটা ২০১৭! সময়গুলো থেমে নেই।


সবচেয়ে দৃষ্টিকটু বিষষ হচ্ছে, দ্য আইল্যান্ড নামে শ্রীলঙ্কান একটা পত্রিকা এই পরাজয়ের কারণে তাদের ক্রিকেটের মৃত্যুই ঘোষণা করে দিয়েছে! তারা লিখেছে গভীর দু:খের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, কলোম্বতে ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের মৃত্যু হয়েছে। বন্ধু সুহৃদরা এই মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। শান্তিতে ঘুমাও। নোট: শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে এবং ছাই বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হবে। অদ্ভুত!! ভাবটা এমন যেন সোনালি যুগের সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বারমুডা হেরে গেছে!!


শ্রীলঙ্কান অধিপতিরা হয়তো ভেবেছিলেন বাংলাদেশ এখনও সেই আগের অবস্থায়ই আছে এবং তারাও সেই সময়কার মতই ছড়ি ঘোরাবেন ইচ্ছামত। কিন্তু অধিপতিগণ আপনাদের একটি বিষয় মনে করিয়ে দিতে চাই আপনাদেরও জয়সুরিয়া, আতাপাত্তু, সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনে নেই আর আমাদের বাংলাদেশও আর সেই বাংলাদেশ নেই। সময় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আর সময়ের সঙ্গেই সবকিছু একসময় মেনে নিতে হয়। দয়া করে বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে শিখুন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ফুলের রাজ্য জাহাঙ্গীরনগর (ফটো ব্লগ ৫)

দেশ জুড়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের লীলাভূমি হিসেবে। অতিথি পাখি,বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, পশু-পাখি ও বি...