শনিবার, ১৯ মে, ২০১৮

ফুলের রাজ্য জাহাঙ্গীরনগর (ফটো ব্লগ ৫)


দেশ জুড়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের লীলাভূমি হিসেবে। অতিথি পাখি,বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, পশু-পাখি ও বিচিত্র প্রজাতির ফুল একে দিনে দিনে পরিণত করছে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আঁধারে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের সমারোহ ক্যম্পাসকে পরিণত করেছে ফুলের রাজ্যে। একটু ঘুরলেই চোখে পড়ে কৃষ্ণচূড়া, সাদা জবা, লাল জবা, রঙ্গন, বেলি, দোপাটি, মৌছন্দা, পদ্ম, গোলাপ,ডেন্টাস ইত্যাদি বিভিন্ন জাতের  ফুল। 

ক্যাম্পাসের নতুন কলা ভবনের পাশে, শহীদ সালাম-বরকত হলের সামনে, খালেদা জিয়া হলের সামনের রাস্তা, টিএসসির ভেতর রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফুলের সমাহার। বিভিন্ন লেকে ফোঁটা লাল শাপলা, নীল শাপলা, পদ্ম ইত্যাদি তো রয়েছেই। বলা যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ফুলের রাজ্য। ক্যাম্পাসের এসব বাহারি জাতের ফুল নিয়েই নিচের ফটো স্টোরিটি।




 টিএসসির ভেতরে গেলেই বেলি ফুলের দেখা মেলে।




জাবির বিভিন্ন জায়গায় শোভা ছড়াচ্ছে রঙ্গন ফুল।




সাদা জবা


লাল জবা


শহীদ সালাম-বরকত হলের সামনে শোভা পাচ্ছে কৃষ্ণচূড়া ফুল




ফুলের রাজা গোলাপের দেখাও মেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে।



বিশুদ্ধ সৌন্দর্যের কাঠমল্লিকার দেখা মেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্ত্বরে।



জাহাঙ্গীরনগরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে উজ্জ্বল বেগুনি রঙের ডেন্টাস ফুল যা যেকারো মন কেড়ে নিতে পারে।



দোপাটি ফুলেরও দেখা মেলে জাবিতে অহরহ।



    জাবির সৌন্দর্যেকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে প্রায় ৪৪ বছর পর ২০১৫ সালে ফোটা এই পদ্ম ফুল।



যতগুলো কারণে জাহঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আঁধার বলা হয় তার মধ্যে অন্যতম কারণ এইসব বিচিত্র জাতের ফুল। আগের মত  এখন আর ১০০ জাতের ফুল দেখা না গেলেও যা দেখা যায় তাতে যেকোন পর্যটক প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্যে হারিয়ে যেতে পারেন। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ফুলের রাজ্য জাহাঙ্গীরনগর (ফটো ব্লগ ৫)

দেশ জুড়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের লীলাভূমি হিসেবে। অতিথি পাখি,বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, পশু-পাখি ও বি...