প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালের ২০ আগস্ট। দেশের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারে ৬৯৭ একর এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠে এটি।
দৃষ্টিনন্দন নানা স্থপত্য রয়েছে এখানে। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সম্মানে রয়েছে সংশপ্তক, ভাষা আন্দোলনের স্মরণে রয়েছে অমর একুশ, রয়েছে দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার, নাট্যচার্য সেলিম আল দীনের স্মরণে মুক্তমঞ্চ, সপ্তম ছায়ামঞ্চ ইত্যাদি।
এখন ছবিতে দেখে আসা যাক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনাসমূহ।
 |
ভাষা শহীদদের স্মরণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৮ সালে এ মিনারটি নির্মাণ করা হয়। এটির উচ্চতা ৭১ ফুট আর ব্যাস ৫২ ফুট। দেশ-বিভাগত্তোর আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা-অভিমূখি নানা আন্দোলনের তাৎপর্যপূর্ণ ৮ টি বছরকে স্মরণে করে এর ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে আটটি সিঁড়ি।
সেলিম-আল-দীন মুক্তমঞ্চ জাবির আরেকটি উল্লেখেযোগ্য স্থাপনা। জাবির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়। |
 |
| সপ্তম ছায়ামঞ্চ জাবির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের স্মৃতি হিসেবে এটি তৈরি করেন। |
 |
| জাবির সংশপ্তক মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিমূলক ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি ১৯৯০ সালে হামিদুজ্জামান খান নির্মাণ করেন। |
 |
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাবির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হচ্ছে অমর একুশ। ভাস্কর জাহানারা পারভীন এটি নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে। সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও ক্যাফেটেরিয়া সংলগ্ন ভাস্করটির স্তম্ভসহ মোট উচ্চতা ৩৪ ফুট। এটি নির্মাণ করতে ব্যবহার করা হয়েছে চুনা পাথর, সিমেন্ট, ব্লাক আইড, বালি প্রভৃতি। এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম একটি বিখ্যাত স্থাপনা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নানা দিক থেকে দেশের অন্যতম একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এইসব স্থাপত্য এটির তাৎপর্যপর্যতা আরও অনেকগূণে বাড়িয়ে দিয়েছে।
|
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন