সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০১৭

বড় দল হয়ে ওঠার সূচনা হয়তো এটাই..

স্বপ্ন দেখতাম এই বাংলাদেশেরই হয়তো। যে বাংলাদেশ একটি জয় পেয়েই অতিউৎযাপন করবেনা বরং পেশাদার এবং প্রতিষ্ঠিত দলের মতো করমর্দন করেই মাঠ থেকে বেরিয়ে আসবে। এটাই তো বড় দলের প্রথম লক্ষন! একটা সাধারণ জয়েই অনেক বেশি মাতামাতি না করে সামনের ম্যাচের দিকে নজর দেওয়া।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ডাম্বুলাতে প্রথম ম্যাচ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে দেখা গেছে সাধারণভাবে জয় উৎযাপন করে মাঠ থেকে বেরিয়ে আসতে। এটি আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে কয়েকবছর আগে যখন বাংলাদেশ সাধারণ একটি জয় পেলেও পুরো মাঠ জাতীয় পতাকা হাতে দৌড়ে বেড়াতো। আর প্রতিপক্ষ এটাকে বলতো “আপসেট”। বিদেশী সংবাদপত্র খবর গুলো প্রচার করতো অঘটন হিেেসবে । খুশি হতাম অবশ্যই বাংলাদশের জয়ে কিন্তু কেন যেন তৃপ্তি পেতাম না। এলাকায় সবাই মিলে মিছিল বের করতো কিন্তু আমি চুপ করে ঘরে বসে থাকতাম। আনেকে আমার এমন আচরণ দেখে এটাও ভাবতো যে আমি হয়তো বাংলাদেশের জয়ে খুশি নই! কষ্ট পেয়েছি। আসলে ব্যাপারটা মোটেও সেরকম ছিলো না। সত্যি বলতে আমি যেভাবে চাইতাম সেই প্রতিপত্তি নিয়ে বাংলাদেশ জিততো না কখোনোই। এখনও যে বাংলাদেশ পরাশক্তি হয়ে গেছে সেটা বলছিনা আমি। কিন্ত কেন যেন গত ম্যাচে ভিন্ন এক বাংলাদেশকে আবিস্কার করলাম। দেখলাম একদম বড় দল যেভাবে ডমিনেট করে জেতে সেভাবেই জিতলো টাইগাররা। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং তিন বিভাগেই তাদের পারফরমেন্স ছিলো দুর্দান্ত। সবার চোখে দেখতে পেলাম দারুণ আত্মবিশ্বাস, শারীরী ভাষাতে ছিলো কখোনেই না হারার প্রতিজ্ঞা।

আমার ভুলও হতে পারে। আনেকের চোখে এর আগেও বাংলাদেশ এমন খেলে থাকতে পারে। কিন্তু আমার চোখে এবারই প্রথম আমার “আকাঙ্ক্ষিত” বাংলাদেশ ধরা পড়েছে। এটাই হয়তো নতুন দিনের সূচনা। এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এই বাংলাদেশের পাওয়ার আছে আরও আনেক কিছু।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ফুলের রাজ্য জাহাঙ্গীরনগর (ফটো ব্লগ ৫)

দেশ জুড়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের লীলাভূমি হিসেবে। অতিথি পাখি,বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি, পশু-পাখি ও বি...